বাংলাদেশ সফরে আগ্রহের কথা ব্যক্ত করলেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান গ্রেস মেং। স্থানীয় সময় শুক্রবার ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে গ্রেস মেং এ আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা সম্পর্কে গ্রেস মেং-কে ধারণা দেন। তিনি রানা প্লাজা দুর্ঘটনা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সরকারের নেয়া বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, প্রশাসনিক কর্মসূচি, বিশেষ প্রোগ্রাম চালুকরণ,অগ্নিনির্বাপণ ও ভবন এর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও কার্যক্রমসমূহের পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং সম্পর্কে অবগত করেন। গ্রেস মেং রানা প্লাজা দুর্ঘটনা পরবর্তী সময় গৃহীত পদক্ষেপ এর উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে এর পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন পোশাক শ্রমিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং শ্রম অধিকার নিশ্চিতকরণের জন্য বর্তমান সরকারের কর্মসূচি কিভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা ব্যাখ্যা করেন।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প দেশটির সামাজিক অগ্রযাত্রায় বিশেষত নারীর ক্ষমতায়নে ব্যাপক মাত্রায় প্রভাব রাখছে উল্লেখ করে বাংলাদেশের রাষ্ট্র্রদূত এই অভিযাত্রাকে বেগবান করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেন। কংগ্রেসম্যান এবং হাউজ ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির প্রভাবশালী সদস্য গ্রেস মেং রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য বিশেষ করে বাংলাদেশের উন্নয়নে পোশাক শিল্পের বিস্ময়কর সাফল্যের কথা আগ্রহের সঙ্গে শোনেন।
কংগ্রেসম্যান গ্রেস মেং আরো জানান যে তারা বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তিনি পোশাক শিল্পের মালিকপক্ষ ও কর্মীদের মধ্যে আরও খোলামেলা ও ঘনিষ্ঠ সংলাপ প্রত্যাশা করেন।
গ্রেস মেং-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দীন বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয়ে তার গভীর আগ্রহ এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি তার ভালোবাসার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. শামীম আহসান এসময় উপস্থিত ছিলেন।