আটক বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত আনা হবে :পররাষ্ট্রমন্ত্রী

থাইল্যান্ডের কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি (কনসুলার একসেস) চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এ পর্যন্ত ১১৮ জন আটক ব্যক্তি বাংলাদেশি বলে দাবি করেছে। আবশ্য আটককৃতদের মধ্যে মিয়ানমারের নাগরিকও রয়েছে।

সদ্যসমাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইতালির মিলান শহরে অনুষ্ঠিত দশম আসেম শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ বিষয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে একথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। তিনি জানান, আটককৃতরা বাংলাদেশি নাগরিক কিনা তা যাচাই করতে কনসুলার একসেস চাওয়া হয়েছে। আটককৃতরা মানব পাচারের শিকার হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মোস্তফা কামাল জানান, থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক ও গভীর। যাচাই-বাছাই শেষে আটককৃতদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কোন সমস্যা হবে না। দুইটি গ্রুপে ১৩৪ জনকে আটক করেছে থাই কর্তৃপক্ষ। এদের মধ্যে ১১৮ জন বাংলাদেশি। থাই কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বন্দীশালায় আটককৃতদের বক্তব্য নিচ্ছে। প্রথম গ্রুপে ৫৩ জনের মধ্যে ৩৮ জন ও দ্বিতীয় গ্রুপে ৮১ জনের মধ্যে ৮০ জন নিজেদের বাংলাদেশি বলে দাবি করেছে। অবশিষ্টরা মিয়ানমারের নাগরিক।

সাংবাদিক সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর আসেম সম্মেলনে অংশগ্রহণ সম্পর্কে বলেন, শীর্ষ সম্মেলনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে যখনই সময় পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেন। বিশেষ করে ইউরোপীয় রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়ে যথেষ্ট আগ্রহ দেখান। বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশাল সাফল্য, প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতে ভিশন অন্যান্য দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের আগ্রহের কারণ। জার্মানী, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, সুইডেন, গ্রীসের সরকার প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেন।