ত্রিদেশীয় ট্রানজিট হলে সবাই লাভবান হবে: পংকজ শরণ

 
 বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পংকজ শরণ বলেছেন, ত্রিদেশীয় ট্রানজিট করার বিষয়টি একটি ভাল উদ্যোগ। এটি বাস্তবায়ন হলে ভারত, বাংলাদেশ ও ভুটান সবাই লাভবান হবে। তিনি বলেন, আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার নৌবন্দর (আইসিটি) প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ চলছে, ইতোমধ্যে এর পরামর্শক নিয়োগ হয়েছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মতামত হাতে পেলে দুদেশের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা হবে।
তিনি মঙ্গলবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ আর্ন্তজাতিক নৌবন্দর পরিদর্শন ও ভারতীয় চাল আশুগঞ্জ থেকে ত্রিপুরায় নেয়ার কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের বিভিন্ন এসব কথা বলেন ।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পংকজ শরণ ঢাকা থেকে সড়ক পথে সকাল সাড়ে ১০টায় আশুগঞ্জ নৌবন্দরে পৌঁছেন। তিনি ভারতীয় চাল পরিবহন কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
সভায় বিআইডব্লিউটিএ‘র পরিচালক  (নৌ নিররাপত্তা ও ট্রাফিক) মোঃ শফিকুল ইসলাম, পরিচালক (নৌ সংরক্ষন ও পরিচালন) মোঃ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ভারতীয় ঋণ সহায়তায় আশুগঞ্জে অভ্যন্তরীণ কনটেইনার নৌবন্দর প্রকল্পের কাজ ২০০৯-‘১০ অর্থবছরে শুরুর কথা থাকলেও এখনো প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি।এরই মধ্যে বিনা শুল্কে সাময়িক ট্রানজিট হিসেবে ১৯৭২ সালের নৌপ্রটোকল চুক্তির আওতায় ভারত কলকাতা থেকে আশুগঞ্জ নৌবন্দর হয়ে সড়ক পথে ত্রিপুরা রাজ্যের ১০‘হাজার টন চালের ২য় কিস্তির ৫‘হাজার টন চাল সড়ক পথে পরিবহন শুরু হয়েছে। গত আগস্ট মাসে নেয়া হয়েছে ৫‘হাজার টন চাল।