স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি বন্টন ও ল্যান্ড বাউন্ডারিসহ সব ইস্যুর সমাধান হতে পারে। সোমবার ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লীতে ‘ভারত-বাংলাদেশ দ্বি-পাক্ষিক সম্পকর্’ - শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন। ভারতের শীর্ষ স্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান দিল্লী পলিসি গ্রুপ এই গোল টেবিলের আয়োজন করে।
গোল টেবিল বৈঠকে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক এ করিম ও দিল্লী পলিসি গ্রুপের মহাপরিচালক শ্রীমতি রাধা কুমার অংশগ্রহন করেন।
শিরীন বলেন, দ্বি-পাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক যে কোন চুক্তির আগে বিষয় ভিত্তিক যে কোন গবেষণার সুপারিশমালা সংসদে আলোচনা হতে পারে।
তিনি বলেন, যদিও দ্বি-পাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক আলোচনার সময় সংসদ সদস্যদের সরাসরি অংশ গ্রহণের সুযোগ থাকে না, তবে এসব জায়গায় সংসদ সদস্যদের মতামত গ্রহন করা গণতন্ত্রের জন্য সুফল বয়ে আনবে।
দ্বি-পাক্ষিক যে কোন বিষয় সুরাহার আগে তা সাংবিধানিকভাবে সংসদে আলোচনা হলে দু’দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরো বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
দ্বি-পাক্ষিক আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে পদ্মার পানি বন্টন চুক্তিএকটি উজ্জল দৃষ্টান্ত যা দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল।
এ সময় হামিদ আনসারী কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশনের (সিপিএ) সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের সংসদের স্পীকার শিরীন শারমীনকে অভিনন্দন জানান। হামিদ আনসারী বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদের মধ্যকার সম্পর্ক আরো উন্নয়ন এবং দু’দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে আরো ভূমিকা রাখার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শিরীন শারমিন বাংলদেশের সামাজিক উন্নয়ন তথা নারীর ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিষয়ে অর্জনসমুহ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে জানান। বাসস