জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহমামদ এরশাদ স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সিপিএ’র চেয়ারপার্সন ও সাবের হোসেন চৌধুরী আইপিইউ’র সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর কারণে বাংলাদেশের পরিচয়, তেমনি একজন শেখ হাসিনার কারণে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পরিচয়। এক অভিনন্দন বর্তায় তিনি এ কথা বলেন।
গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ অভিনন্দন বার্তা পাঠানো হয়। অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘সদ্য সমাপ্ত কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশন (সিপিএ) এবং ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ)-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আপনার দুই প্রার্থী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি বিজয়ী হওয়ায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
এরশাদ বলেন, অতিউচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন এই দু’টি আন্তর্জাতিক সংগঠনের সর্বোচ্চ পদের নির্বাচনে বাংলাদেশের দু’জন সম্মানিত প্রার্থীর বিজয় বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই বিজয় শুধু বাংলাদেশের দু’জন প্রার্থীরই বিজয় নয়, এই বিজয় প্রধানমন্ত্রীর মতো একজন সুদক্ষ- দৃঢ়চেতা- সাহসী এবং সৎ রাষ্ট্রনায়কের আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গগনচুম্বী ভাবমূর্তিরই বিজয়। এই বিজয় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিজয়।
তিনি বলেন, আইপিইউ- এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে প্রার্থী হলেন- সেটা বড় বিষয় ছিলনা, তিনি বাংলাদেশের পার্লামেন্টের একজন সংসদ সদস্য, যে পার্লামেন্টের নেতা শেখ হাসিনা এবং তার মনোনীত প্রার্থী হওয়াটাই ছিল বড় বিষয়। সেই নির্বাচনে বিশ্বের ১৬৯টি সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশ, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা নিয়ে- প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে এবং বিজয়ী করেছে।
এরশাদ বলেন, অষ্ট্রেলিয়ার মতো একটি দেশের স্পিকার এই নির্বাচনে বাংলাদেশের একজন সংসদ সদস্যের কাছে হেরে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এত বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আগে কখনো এসেছে বলে আমার অন্তত মনে পড়ছে না।
তিনি বলেন, একই সাথে সিপিএ’র মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনের চেয়ারপার্সন পদটিও এবার বাংলাদেশ পেয়েছে। এক সাথে এমন দুটি গৌরবের অর্জন দেশের ইতিহাসে বিরল। আইপিইউ প্রতিষ্ঠার ১২৫ বছর পর এবার প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক সাফল্যের কারণে যে মর্যাদা বাংলাদেশ অর্জন করেছে দেশবাসী তা চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। খবর বাসস