বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের জন্য অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা (জিএসপি) অব্যাহত রাখবে। জিএসপি প্লাস সুবিধার আওতায় বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজারের দেশগগুলোর জোট এই সুবিধা দিতে চেয়েছে।
মন্ত্রী বৃহস্পতিবার বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গত ২০ অক্টোবর ব্রাসেলসে ‘সাসটেইনেবিলিটি কমপ্যাক্ট’ র্শীষক প্রকল্প এক পর্যালোচনা সভায় যোগদান শেষে দেশে ফিরে সফর সম্পর্কে এই সংবাদ আয়োজন করা হয়। ইউরোপীয় কমিশন, যুক্তরাষ্ট্র ও আইএলও বাংলাদেশ সম্পর্কে যে মতামত তুলে ধরেছে তা জানাতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাণিজ্য ন্ত্রনালয়।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের শ্রম খাতের কর্মপরিবেশ উন্নয়ন ও নিরাপত্তা বিষয়ে গত বছর ৮ জুলাই নেয়া হয়। এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য ইউরোপীয় কমিশন(ইসি), যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার(আইএলও) প্রতিনিধিরা এতে যোগ দেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ব্রাসেলসে সভা শেষে ইউরোপীয় কমিশন, যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও আইএলও আউটকাম ডকুমেন্ট হিসেবে ‘ইপ্লিমেনশন রিভিউ এন্ড স্টক টেকিং অব প্রগ্রেস’ গ্রহণ করেছে।
এই ডকুমেন্টে মূলত ২০১৩ সালের জুলাই মাসে থেকে তৈরী পোশাক খাতে শ্রমিক অধিকার সমুন্নত ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ বিনির্মানে কতটা অগ্রগতি হয়েছে এবং আরো কি কি করণীয় রয়েছে সে সকল বিষয় রয়েছে।
২০১৫ সালে সুবিধামত সময়ে এই কম্প্যাক্ট রিভিউ করা হবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়াতুল্লাহ আল-মামুন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মিকাইল শিপার উপস্থিত ছিলেন।