বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বাংলাদেশ ইবোলার সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। এদিকে রোগতত্ত্ব, রোগ নিরাময় ও গবেষণা কেন্দ্রের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান আজ বলেছেন, আমরা ইবোলা ভাইরাস নিয়ে এতো বেশি উদ্বিগ্ন নই।
তিনি আজ আইইডিসিআর মিলনায়তনে সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এক কর্মশালায় বলেন, কেউ যদি সরাসরি ইবোলায় আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে না আসে তাহলে আমাদের দেশে ইবোলা সংক্রমণের কোন সম্ভাবনাই নেই। আমরা ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। তিনি আরো বলেন, আমরা সন্দেহভাজন যে কাউকে শনাক্ত এবং তার শরীর থেকে রক্ত নিয়ে পরীক্ষা করে দেখছি।
আইইডিসিআর (জাতীয় রোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) ইবোলা পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর দিচ্ছে এবং ইতোমধ্যে টিম গঠন করে দ্রুত এই রোগ শনাক্তকরণের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
এই প্রতিষ্ঠান ইভিডির প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে উন্নতমানের প্রশিক্ষণ শুরু করেছে।
এক ব্যক্তির দেহ থেকে অন্যের দেহে রক্ত না দিলে এই ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা একে বারেই কম।
ইবোলা প্রথম দেখা দিয়েছিল ১৯৭৬ সালে কঙ্গোতে। সাধারনত জীব জন্তাপুর মাধমে ছড়ায়।গত বছর এই রোগ পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরালিওন, গায়না ও লাইবেরিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার লোক আক্রান্ত হয়। খবর বাসস।