আমিরাতে শোষণের শিকার হচ্ছে বাংলাদেশি গৃহকর্মীরা

 
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) মারধর, নিপীড়নসহ ভয়াবহ শোষণ-বঞ্চনার শিকার হচ্ছে অভিবাসী গৃহকর্মীরা। বিনা বেতনে বা স্বল্প পারিশ্রমিকে অমানুষিক পরিশ্রম করতে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে। এশিয়া ও আফ্রিকার বহু দেশের কর্মীদের মতো বাংলাদেশের অভিবাসী গৃহকর্মীরাও শোষণের শিকার।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।
৭৯ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে নির্যাতিত ও বঞ্চিত গৃহকর্মীদের মানবেতর পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটি তৈরিতে ইউএইতে কর্মরত ৯৯ অভিবাসী গৃহকর্মীর সাক্ষাত্কার নেয়া হয়।
এইচআরডব্লিউ’র দাবি ইউএই’র সরকার আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থায় (আইএলও) নতুন প্রভাবশালী দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। কিন্তু তারা নিয়োগকর্তাদের হাত থেকে নারী গৃহকর্মীদের রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ইথিওপিয়ার কমপক্ষে ১ লাখ ৪৬ হাজার অভিবাসী গৃহকর্মী সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন বাসা-বাড়ি বা গৃহস্থালিতে বর্তমানে কাজ করছেন। এইচআরডব্লিউ’র মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের নারী অধিকার বিষয়ক গবেষক রথনা বেগম বলেন, শ্রম আইনে গৃহকর্মীদের নিরাপত্তার কোন বিধান না থাকায় নিয়োগকারীরা এই নারীদের দিয়ে অতিরিক্ত কাজ করাতে পারছে। স্বল্প পারিশ্রমিক দিয়ে শোষণ করতে পারছে।