যুক্তরাজ্যের প্রধান বিজ্ঞানী মার্ক ওয়ালপোর্ট বলেছেন, মানুষের নির্গত কার্বন থেকে সমুদ্র সাংঘাতিক ঝুঁকির মুখোমুখি রয়েছে এবং এ ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। খবর বিবিসির।
কলকারখানা থেকে উৎপন্ন প্রায় সিওটু’র (কার্বনডাই অক্সাইড) এক তৃতীংশ শুষে নেয় সমুদ্র। যেটা সমুদ্রের পানির রসায়নে পরিবর্তন আনছে।
স্যার মার্ক ওয়ালপোর্ট সতর্ক করে বলেন, শিল্প বিপ্লব ঘটার সময় থেকে প্রধানতই মানব তৈরি নির্গমনের কারণে সমুদ্রে অম্লত্ব প্রায় ২৫ ভাগ বেড়েছে।
কার্বনিক এসিড গঠনে সিওটু (কার্বনডাই অক্সাইড)সমুদ্রের পানি সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে।
তিনি বিবিসি নিউজকে বলেন, ‘‘যদি আমরা একই পরিমাণে সিওটু (কার্বনডাই অক্সাইড) নির্গত করতে থাকি তাহলে সমুদ্রজ খাদ্য জাল এবং গাছপালা ও পশুপাখির সাথে এদের প্রাণহীন পারিপার্শ্বিক পারস্পরিক ক্রিয়া জটিলতর হয়ে সমুদ্রের অম্লত্ব বাস্তবিক ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।’’
তিনি আরো বলেন, অম্লত্বের সাম্প্রতিক হার বিশ্বাস করায় যে গত ৬৫ মিলিয়ন বছরের মধ্যে এটা অবর্ণনীয় অবস্থা-এবং ভবিষ্যতে মৎস সম্পদের জন্য হুমকির আশঙ্কা।
অনুমান করা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন কারণে সমুদ্র উষ্ণ হওয়ার মাধ্যমে পরিণতি হিসেবে সম্ভবত অম্লত্বের আধিক্য। একটা পদ্ধতি যেটা সিওটু-ই পরিচালনা করে।
অম্লত্বের প্রভাব আগের করা অনুমানের চেয়ে ব্যাপ্তিশীল। সম্প্রতি উত্থাপিত ব্রিটিশ গবেষণার এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্যার মার্ক ওইসব মন্তব্য করে।
গবেষকরা দেখেছেন, অম্লত্বের কারন হেতু সৃষ্টিকূলও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অম্লত্বের আধিক্য সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় কপারের মত দূষণ বাড়িয়ে প্রাণীকূলের জন্য বৈরী অবস্থা সৃষ্টি করবে।