যুদ্ধাপরাধীদের স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, সর্বোচ্চ শাস্তি চাই: গণজাগরণ মঞ্চ

 
গোলাম আযমের স্বাভাবিক মৃত্যুতে হতাশা ও জাতীয় মসজিদে জানাযা অনুষ্ঠিত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে গণজাগরণ মঞ্চ।
শনিবার মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেন, যুদ্ধাপরাধী আব্দুল আলীমের বিচারের রায় কার্যকর হবার আগেই তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এবার রাজাকারদের মাস্টারমাইন্ড গোলাম আযমের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। এ থেকে স্পষ্ট, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে সরকারের কালক্ষেপণ তাদের স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা বিধান করছে। এতে তারা প্রাপ্য শাস্তি পাচ্ছে না। যুদ্ধাপরাধীদের স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। বিচারাধীন অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষেত্রে যেন এর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রেখে বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। নইলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি কেবল নথিভুক্ত ইতিহাসই রয়ে যাবে, তার স্বাভাবিক বাস্তবায়ন ঘটবে না।
শনিবার বিকালে রাজধানীতে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
লিখিত বক্তব্যে ইমরান বলেন, পুলিশি পাহারায় গোলাম আযমকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জানাজা পড়ানোর অনুমতি দিয়েছে সরকার। এই অনুমতি কীসের ইঙ্গিত বহন করে? জাতীয় মসজিদে হেফাজত জামাত-শিবিরের যে তা্লব আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময়ে, তার বিষয়ে সরকারের হিমশীতল নীরবতার কারণ কী? সরকারের এ ধরণের আচরণ স্বাভাবিক অর্থেই জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়ে চলেছে।
এ সময় জানানো হয়, গত শুক্রবার শুরু হওয়া গোলাম আযমের মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ-বিরোধী অপতত্পরতার দলিল-দস্তাবেজ ‘অভিশাপ দিচ্ছি’ শিরোনামে প্রদর্শনী আগামী সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। এছাড়া মঞ্চের ছয়দফা বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় কনভেনশনের প্রস্তুতি চলছে। এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী জাগরণ যাত্রার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।