ইবোলা মোকাবিলায় পশ্চিম আফ্রিকার সাফল্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা

 
 
 
পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে ইবোলার প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখায় ওইসব দেশের নাগরিক ও বিদেশি দাতাদের প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘে মার্কিন প্রতিনিধি সামান্থা পাওয়ার। মনরোভিয়ায় লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইলেন জনসন সারলিফের সাথে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন পাওয়ার। খবর বিবিসির।
এ অঞ্চল সফরে গিয়ে জাতিসংঘ দূত পাওয়ার বলেন, ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে তাকে সতর্কভাবে কবরস্থ করার মাধ্যমে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকানো সম্ভব। আর সে কাজটিই লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করেছে। তারা অসংখ্য মৃত ব্যক্তিকে নিরাপদে দাফন করতে সক্ষম হয়েছে।
পাওয়ার বলেন— আন্তর্জাতিক সহায়তা এ রোগ কমিয়ে আনতে যথেষ্ট সহায়ক হয়েছে। আর এ জন্য দাতাগোষ্ঠীকে সাহায্য অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের এই দূত। এ রোগে পশ্চিম আফ্রিকা অঞ্চলে এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার লোক মারা গেছে। এ দিকে, এ ভাইরাসের ছড়িয়েপড়া প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই বলে চলেছে— উত্সমূলে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলেই এর প্রাদুর্ভাব বন্ধ করা সম্ভব। এ ছাড়া এ অঞ্চল থেকে লোকজনের অন্যত্র চলাচলে নিষেধাজ্ঞা না দেয়ারও আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। ও দিকে ইবোলা উপদ্রুত প্রধান দেশগুলোর ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া। সে সব দেশে অস্ট্রেলীয় সরকার কোনো প্রকার চিকিত্সাকর্মীও পাঠায়নি।
অন্য দিকে, সংবাদ সম্মেলনে লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইলেন বলেছেন— বৈশ্বিক সংকটে নিষেধাজ্ঞা যথাযথ কোনো পদক্ষেপ হতে পারে না। ইবোলা আক্রান্তদের নেতিবাচক দৃষ্টিতে না দেখতে সতর্ক করে দেন ইলেন।
পাওয়ার বলেন— এ ভয়ানক ভাইরাসকে পরাজিত করা হবে বলে লাইবেরীয় জনগণের কাছে বার্তা পাঠিয়েছেন আমেরিকা সরকার। তিনি আরো বলেন— এ রোগ দমনে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারগুলোরও ভূমিকা কম নেই। তারা দ্রুততার সাথে নমুনা পরীক্ষা করেছে, যার ফলে সময় অনেক বেঁচে গেছে এবং অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।