আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করেছে ইসরায়েল




জেরুসালেমে আল-আকসা মসজিদের কম্পাউন্ড বন্ধ করে দেওয়ার পর ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এই ঘটনাকে ইসরায়েলের যুদ্ধ ঘোষণার সাথে তুলনা করেছেন। বুধবার রাতে দক্ষিণপন্থী একজন ইহুদীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর, ইসরায়েলি পুলিশ এই এলাকাটিকে লোকজনের জন্যে বন্ধ করে দিয়েছে। খবর বিবিসির।

ইহুদিদের কাছে এই প্রাঙ্গণটি পরিচিতি টেম্পেল মাউন্ট হিসেবে।

ইসরায়েলী পুলিশ এর আগে ঐ ইহুদিকে গুলি করার ঘটনায় সন্দেহভাজন একজন ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে।

ঘটনাটির শুরু বুধবার রাতে। সেদিন জেরুসালেমে একটি সম্মেলন কেন্দ্রের বাইরে গুলিবিদ্ধ হন দক্ষিণপস্থী ইহুদি নেতা রাবাই ইয়েহুদা হ্লিক, যিনি টেম্পলমাউন্ট এলাকায় পবিত্র স্থানগুলোতে ইহুদিদের প্রবেশাধিকার বাড়ানোর জন্য দাবি করছিলেন।

এর পর ইসরাইলি পুলিশ এক অভিযান চালায় এবং মুয়াতজ হিজাজি নামে এক ফিলিস্তিনিকে সম্ভাব্য গুলিবর্ষণকারী সন্দেহে গুলি করে হত্যা করে। বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন মি. হিজাজি ১০ বছর কারাভোগ করার পর ২০১২ সালে মুক্তি পান।

এই ঘটনার পরই আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডটি বন্ধ করে দেয় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের একজন মুখপাত্র বলছেন, এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

জেরুসালেমের পুরোনো শহরকে কেন্দ্র করে ইসরাইলি পুলিশ আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

বৃহস্পতি ও শুক্রবার টেম্পল মাউন্ট এলাকা দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ থাকবে।

এটা ইহুদী এবং মুসলিম সবার জন্যই প্রযোজ্য এবং নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই এটা করা হয়েছে বলে পুলিশ বলছে।

আল-আকসা মসজিদ বা হারাম আল-শরীফ মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র ধর্মীয় স্থান।

আর ইহুদীরা জায়গাটিকে বলে টেম্পল মাউন্ট। তাদের কাছে এটা সবচেয়ে পবিত্র ধর্মীয় স্থান, তবে এখানে তারা যেতে পারলেও প্রার্থনা করা নিষেধ।