'সাম্প্রদায়িক-জঙ্গিবাদী শক্তিকে দাঁড়াতে দেয়া হবে না'

সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিবাদী শক্তিকে এদেশে কখনোই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেয়া হবে না। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে  মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এ কথা বলেন।
সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রী কামরুল ইসলাম আরো বলেন, যে দেশে ক্ষমতার জন্য  রাস্তায় পিটিয়ে ও পুড়িয়ে মানুষ মারা হয় সেখানে জঙ্গিবাদের উত্থান বেপোরোয়া হয়ে উঠাই স্বাভাবিক। স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও নিজস্ব সংস্কৃতি ধরে রাখতে সকল দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা ও সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে একতাবদ্ধ হতে হবে। তবেই এদেশ থেকে বিএনপি জামায়াতের অপরাজনীতির শিকড় উপড়ে ফেলা যাবে। 
মন্ত্রী বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে বলেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। ২০১৯ সালের একদিন আগেও এদেশে কোনো সংসদ নির্বাচন হবে না। তিনি মানুষ হত্যার রাজনীতি ত্যাগ করতে খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, হরতাল দিয়ে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বানচাল করা যাবে না। আইনশৃংখলা বিঘ্ন ঘটাতে চেষ্টা করলে পরিণতি ভালো হবে না।
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। যাদের বাড়িঘর নেই তাঁদের জন্য সরকার বাসস্থানের ব্যবস্থা করবে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি পিনু খান, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক ইসমত কাদির গামা, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল করিম ভূইয়া, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, দোহার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজ্জব আলী মোল্লা, ডেপুটি কমান্ডার শাজাহান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে দোহারের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।