পাঁচ টাকার মোম বাতি ১০ টাকা

টানা বিদ্যুত্ বিপর্যয়ে রাজধানীর অনেক এলাকাতেই সন্ধ্যার আগেই মোমবাতির স্টক শেষ হয়ে গেছে। সকাল থেকে বিদ্যুত্ না থাকায় মোমবাতির দাম ও চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। বিভিন্ন দোকানে ক্রেতাদের লম্বা লাইনও দেখা যায়। কিছু দোকানে মোমবাতি থাকলেও তা বেশি দামে বিক্রি করা হয়। খুচরা দোকানে ৫ টাকার মোমবাতির দাম রাখছে ১০ টাকা, আর ১০ টাকারটা রাখছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। ২০ টাকার মোমবাতির দাম রাখা হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। রাজধানীর কল্যাণপুর, শ্যামলী, ফকিরাপুল, নয়াপল্টন, সেগুনবাগিচা ও কাওরান বাজারসহ বিভিন্ন দোকানে ঘুরে এসব চিত্র পাওয়া যায়।

গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে গোটা রাজধানীসহ সারাদেশ থাকে বিদ্যুত্হীন। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়েছে মোমবাতি বিক্রেতারা। বেশি দাম নেয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তারা বলেন, হঠাত্ করে রাজধানীতে বিদ্যুত্ না থাকায় মোমবাতির পাইকারি বিক্রেতারা বেশি দাম নিয়েছে। আবার কোথাও সরবরাহ কম। তাই সরবরাহকারীরা বেশি দাম নেয়ার ফলে খুচরা বিক্রেতাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।
কল্যাণপুরের বাসিন্দা মেরিনা সুলতানা ও আনজুয়ারা খাতুন বলেন, ‘সকাল থেকে বিদ্যুত্ না থাকায় অনেকগুলো মোমবাতি কিনতে হয়েছে। এ সুযোগে দোকানদাররা মোমের দাম বাড়িয়ে দেয়। বিকালের দিকে ১০ টাকা দামের ২টি মোম নেয় ২০ টাকায়। কিন্তু সন্ধ্যার সময় একই দোকানদার ২টা মোমের দাম রেখেছে ৩০ টাকা। ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করবে তাই বেশি দাম রাখলেও কিছু করার নেই।’

শ্যামলীর আজাদ নামের এক দোকান মালিক বলেন, ‘সকাল থেকে বিদ্যুত্ না থাকায় মোমবাতির চাহিদা বেড়ে যায়। প্রথমে দোকানে আগের নেয়া যে মোমবাতি ছিল তা নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়। কিন্তু দুপুরের দিকে আমরা নিজেরাই আগের চেয়ে বেশি দাম দিয়ে কিনেছি, তাই বিক্রিও করা হয় আগের চেয়ে ২ থেকে ৫ টাকা বেশি দামে।’