গভীর শ্রদ্ধা-ভালবাসায় শহীদদের স্মরণ, আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলসহ যথাযোগ্য মর্যাদায় গতকাল সোমবার জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে। জাতি স্মরণ করেছে তার চার সূর্য সন্তানকে। দিবসটি পালনে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতিকে সম্মান জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী বনানী কবরস্থানে জাতীয় তিন নেতার কবরেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবর্গ, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, ১৪ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
সকালে বনানীতে জাতীয় তিন নেতার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নির্দেশেই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বর জেল হত্যাকাণ্ড একই সূত্রে গাঁথা। একই খুনির নির্দেশে ইতিহাসের বর্বরতম এ দুই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। আশরাফ মধ্যবর্তী নির্বাচনের বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, এ ধরনের কোন আভাস বা ইঙ্গিত সম্পর্কে আমরা কোন কিছু জানি না। তিনি বলেন, যখন সময় হবে তখন নির্বাচন হবে। এ বিষয়ে কোন আভাস বা ইঙ্গিতের প্রয়োজন নেই। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করেই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।