অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে এনবিআর

 
দেশের টাকায় বিদেশে সেকেন্ড হোম নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযানে নামছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বিদেশে তাদের টাকা পাচার ও কর ফাঁকির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে যোগাযোগও করবে এনবিআর। এ সংকান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (এনবিআর) একজন ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে প্রধান করে সমপ্রতি চার সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের বিষয়ে একটি কর্মকৌশল নির্ধারণসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন এক অনুষ্ঠানে  বলেন, বাংলাদেশের অনেক নাগরিক দেশের টাকা পাচার করছেন কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে সেকেন্ড হোম নির্মাণ করেছেন। এসব ব্যক্তি কোনো দেশেই কর প্রদান করছে না। তাদের কর আদায় করতে পারলে হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ সম্ভব।
এনবিআর সূত্র জানায়, বাংলাদেশের সাথে ৩৩টি দেশের দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি রয়েছে। এসব দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য বা বাড়ি নির্মাণে যে কোনো এক দেশে কর দিলেই হয়। এ সুযোগ নিয়ে অনেকেই কোনো দেশেই কর দেয় না। তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা ও কাতারের দূতাবাসের মাধ্যমে সেসব দেশে সেকেন্ড হোম নির্মাণকারীদের তথ্য চাওয়া হবে।