বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ

চলতি বছর থেকেই নতুন পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে ৩ দিনের কর্মসূচি

 
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০১৪ সালের জুলাই মাস থেকেই নতুন পে-স্কেল কার্যকরসহ পাঁচ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ। নতুন পে-স্কেল কবে থেকে, এ ব্যাপারে ২০ নভেম্বরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের অসামঞ্জস্যতা দূর করারও দাবি জানানো হয়েছে। এ সব দাবিতে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে পরিষদ। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব কর্মসূচি ঘোষণা করেন পরিষদের মহাসচিব নোমানুজ্জামান আল আজাদ।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— আগামী ৬ ডিসেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বরে কর্মচারী সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল, ৮ ডিসেম্বর বিভাগীয় শহর ও প্রত্যেক জেলায় কর্মচারী সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল এবং ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ৩ জানুয়ারি ঢাকায় কর্মচারী মহাসমাবেশের মাধ্যমে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সামগ্রিক জীবন-যাত্রার ব্যয় বাড়লেও বেতন না বাড়ায় নিম্ন-আয়ের কর্মচারীরা দুর্বিসহ অবস্থায় রয়েছেন। সরকার বর্তমানে নিম্নতম পর্যায়ে যে ৪ হাজার ১০০ টাকা দিচ্ছে, তা বাজারদরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। সে জন্য ১ :৫ হারে ৬ সদস্যের একটি পরিবারের জন্য সর্বনিম্ন ১৮ হাজার টাকা মূল বেতন নির্ধারণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-বৈষম্য নিরসনে বিদ্যমান ২০টি স্কেলকে ভেঙে ১০টিতে রূপান্তরের দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন পরিষদের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন। উপস্থিত ছিলেন কার্যকরী সভাপতি এম এ হান্নান, অতিরিক্ত মহাসচিব বদরুল আলম সবুজ, মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুতুব উদ্দিন সেলিম, সহসভাপতি সৈয়দ সারোয়ার হোসেন, ছালজার রহমান, মমিন আহম্মেদ, এম এ ওয়াদুদ ও কামরুল ইসলাম প্রমুখ।