দেশের সবচেয়ে বড় ফ্যাশন ইভেন্ট ‘ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০১৯’ শুরু হয় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায়। ইউনিলিভার হেয়ার ব্র্যান্ড ট্রেসেমে এবং ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অব বাংলাদেশের (এফডিসিবি) যৌথ উদ্যোগে তিনব্যাপী ফ্যাশন শো’র আনুষ্ঠানিক যাত্রায় বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেশন হলে মিলিত হয় একঝাঁক ফ্যাশন ডিজাইনার, ফ্যাশন বোদ্ধা ও সাংবাদিকসহ অনেক ফ্যাশনপ্রেমী। এ ইভেন্টে ১৯ জন বাংলাদেশি এবং ১১ জন বিদেশি ডিজাইনার অংশ নিয়েছেন। এরমধ্যে প্রথম দিন অর্থাত্ শনিবার সন্ধ্যায় দেশি-বিদেশি মোট ১০ জন ডিজাইনার তাদের কালেকশন প্রদর্শন করেন। ডিজাইনাররা হলেন বাংলাদেশের হুমায়রা খান, লিপি খন্দকার, রিফাত রেজা, সারাহ করিম, সাদিয়া মিশু, ইজমাত নাজ, মুশাররাত রহমান, পশ্চিমবঙ্গের পারমিতা ব্যানার্জি, মালদ্বীপের আয়শাত সামলা ও নেপালের অণু শ্রেষ্ঠা। পরদিন রবিবার সন্ধ্যায় রানওয়েতে দেখা যায় বাংলাদেশের আফসানা ফেরদৌসি, ফারাহ আনজুম বারি, শাহরুখ আমিন, ফাইজা রহমান, রুপো শামস, তাশফিয়া আহমেদ, শৈবাল সাহা, থাইল্যান্ডের সুকাজিত দায়েংচি, ভুটানের কেঞ্চ ওয়াংমো ও ভারতের শ্বাতী কালসির ডিজাইন। শেষদিনে একইভাবে দশজনের তালিকায় ছিল বাংলাদেশের মাহিন খান, এমদাদ হক, কুহু প্লামন্দোন, চন্দনা দেওয়ান, মারিয়া সুলতানা, রিফাত রহমান, শ্রীলঙ্কার কাঞ্চনা থালপাওইলা, পাকিস্তানের ফাইজা সামি, ভারতের কল্লোল দত্ত ও ইন্দোনেশিয়ার মেরডি সিহোমবিংকে। বর্তমানে পরিবেশবান্ধব পণ্যের দিকে ঝুঁকছে পৃথিবী। তাই বাংলাদেশ ফ্যাশন উইকে যেসব পোশাক দেখানো হয়েছে, সেগুলোতে জোর দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া ও পরিবেশ উপযোগী কাপড়ের দিকে। আর নকশা হিসেবে দেশজ উপাদান ব্যবহার করেছেন ডিজাইনাররা। মাহিন খান যেমন গৌঢ় ও এই অঞ্চলের ইসলামি নানা অলংকরণ থেকে বেছে নিয়েছেন মোটিফ।
মাহিন খান
প্রেসিডেন্ট, ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অব বাংলাদেশের (এফডিসিবি) ও
উত্সবের সহ-আয়োজক
‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশি পণ্যের বাজার তৈরি করার মাধ্যমে বাংলাদেশের ফ্যাশন ও কালচারকে প্রমোট করার উদ্দেশ্যে কাজ করছে এ নন-প্রফিট অর্গানাইজেশনটি। ডিজাইনারদের নকশা করা পোশাক সারা বিশ্বেই সমাদৃত। ফ্যাশন উইকের ধারণা তো বিশ্বের বড় শহরগুলোতে প্রতিষ্ঠিত। ফ্যাশন উইকের মাধ্যমে স্থানীয় নকশা সহজেই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে।’