l কাচের কাপ-প্লেট বা অন্য জিনিস তা যাই হোক না কেন নিয়মিত লিক্যুইড সাবান দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
l কাচের তৈজসপত্র পরিষ্কারে নেটের শক্ত স্ক্রাবার ব্যবহার করা যাবে না, এতে দাগ পড়ে যেতে পারে।
l সবসময় কাচের জিনিস নরম কাপড় দিয়ে মাজতে হবে যাতে আঁচড় না পড়ে।
l ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতেও একসাথে অনেকগুলো কাচের জিনিস ভিজিয়ে রেখে নরম কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করা যায়।
l কাচের জিনিস ধোয়ার পর তা অবশ্যই শুকনা কাপড় দিয়ে মুছতে হবে নাহলে আঠা আঠা হয়ে যেতে পারে।
l পিতল বা অ্যালুমিনিয়ামের এই ধরনের তৈজসপত্র ধোয়ার সময় ভিনেগার দিয়ে ধুলে সবচেয়ে ভালো হয়। এতে উজ্জ্বলতা অক্ষুণ্ন থাকে।
l তেঁতুলের মাড় দিয়ে কাঁসা বা অ্যালুমিনিয়ামের তৈজসপত্র ধুলেও ভালো পরিষ্কার হয়।
l তেঁতুল বা ভিনেগার দিয়ে ধোয়ার পর উষ্ণ গরম পানিতে ভিজিয়ে শুকনা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছতে হবে। এতে করে বাসনে কখনও দাগ পড়বে না এবং চকচকে ভাবটাও বজায় থাকবে।
l স্টেইনলেস স্টিলের জিনিসপত্র পরিষ্কারে একটু ঝক্কি আছে। এটি পরিষ্কার করার সময় কখনও শক্ত কিছু দিয়ে জোরে ঘষবেন না, এতে দাগ পড়ে যায়।
l স্টেইনলেস স্টিলে পোড়া দাগ লাগলে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে তা নরম করতে হবে তারপর প্লাস্টিকের মাজনি দিয়ে মেজে পরিষ্কার করতে হবে।
l অনেকে চামচ দিয়ে আচড়ে স্টিলে লেগে থাকা দাগ উঠানোর চেষ্টা করেন, এতে করে স্টিলে আঁচড় পড়ে যায়। তাই এভাবে কখনো কোনো কিছু দিয়ে খুচিয়ে ময়লা তোলা যাবে না।
l সবসময় নরম স্পঞ্জের ফোমের সাহায্যে স্টেইনলেস স্টিল পরিষ্কার করতে হয়।
l পরিষ্কার করার পর স্টেইনলেস স্টিলের বাসনকোসন উল্টো করে রাখতে হবে যাতে পানি ঝরে যায়। পানি ঝরে গেলে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নির্দিষ্ট জায়গায় তুলে রাখতে হবে।
l ফ্রিজ, ওভেন বা যেকোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পরিষ্কার করার সময় অবশ্যই এর বৈদ্যুতিক সংযোগের তারটি খুলে রাখুন।
l অনেকে রান্নাঘরে ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার করেন। রান্নার পর দেখা যায় চুলার চারপাশ এবং কখনো চুলার দেয়াল তেল চিটচিটে হয়, তাহলে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করুন।
l প্রেসারকুকারের মরিচা পরিষ্কার করার জন্য লেবুর খোসা দিয়ে ঘষে পরে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। মরিচা থাকবে না।
l ইলেকট্রিক ফ্লাক্স ব্যবহার করার পর কয়েক দিন ফেলে রাখলে তাতে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হতে পারে। এক্ষেত্রে এক চামচ চিনি ফ্লাক্সে দিন, সমস্যা মিটে যাবে।