ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) জালিয়াতির মাধ্যমে এক কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রবিবার কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে এ চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয় হয়।
যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তারা হলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের (সিএও) এসএএস সুপার (সাময়িক বরখাস্ত) মো. শরিফুল ইসলাম, মেসার্স সিয়াম ত্রুপ কেয়ারের মালিক মো. সাদেকুল ইসলাম, মো. তানভীর সরকার, খাদিজা খাতুন দিনা, মো. ফিরোজ কবীর, মো. মুরাদ মোর্শেদ ও সুফিয়া সরকার।
দুদক সূত্র জানায়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন স্থানান্তরের জন্য মো. শরিফুল ইসলাম একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ইএফটি এ্যাকাউন্টের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এ্যাকাউন্ট সংযুক্ত করা হয়। অভিযুক্ত মো. শরিফুল ইসলাম অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ছয়টি এ্যাকাউন্ট খোলেন এবং ওই এ্যাকাউন্টগুলোর সঙ্গে ইএফটি এ্যাকাউন্ট সংযুক্ত করেন। এর মাধ্যমে তিনি মোট এক কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাত করেন। এর মধ্যে ৬৯ লাখ টাকা আসামিরা ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থেকে উত্তোলন করেন। বাকি টাকা ফ্রিজ অবস্থায় রয়েছে।
আসামি শরিফুল ইসলাম তার স্ত্রী, আপন ভাই, বোন, ভাগনের নামে ব্যাংক এ্যাকাউন্ট খোলেন এবং তাদের অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। তারপর তাদের মাধ্যমে একাউন্ট থেকে টাকা আত্নসাত করেন। দুদকের উপ-পরিচালক এস এম সাহিদুর রহমান এ অভিযোগ তদন্ত করেছেন।