প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্ব কর্মসংস্থান বাজারের সুবিধা পেতে বিদেশে চাকরি প্রার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি জোরদার করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার ইস্কাটনে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণকালে তিনি এই নির্দেশ দেন।
শেখ হাসিনা বলেন, এখন বিশ্বের ১৫৯টি দেশে বাংলাদেশের চাকরির বাজার সম্প্রসারিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক চাকরি বাজারে আমাদের জনশক্তির অধিকতর সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য আমাদের জনশক্তির অধিকতর প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। 
শেখ হাসিনা নৌকা, ট্রলার ও ছোট জাহাজে করে সমুদ্র পথে বিদেশে লোক পাঠাতে কিছু রিক্রুটিং এজেন্সি অসাধু চক্রের অবৈধ কর্মকান্ডের উল্লেখ করে বলেন, এই প্রাণঘাতী চেষ্টার বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি জনশক্তি রফতানিকারকদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো অবশ্যই ব্যবসা করবে, কিন্তু মানুষকে শোষণ নয়।
তিনি বলেন, সরকার বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে বন্ধ করার জন্য নয়, বরং তাদের আইন ও নীতি মেনে বিদেশে লোক প্রেরণে উৎসাহিত করতে সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) জনশক্তি রফতানির উদ্যোগ নিয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, প্রথমে বেসরকারি এজেন্সিগুলো আমাদের এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে। কিন্তু এখন তারা বুঝতে পেরেছে যে, জনশক্তি রফতানি স্থিতিশীল রাখতে এ খাতের দুর্নীতি রোধ ও অবৈধ চর্চা বন্ধে সরকারি এ উদ্যোগের প্রয়োজন ছিল।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনশক্তি রফতানি খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় গঠন করেছে। বিদেশে চাকরি প্রার্থী অনেকে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর দ্বারা হয়রানির শিকার হচ্ছে- একথা উল্লেখ করে এ ব্যাপারে জনগণের মাঝে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।