স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ইবোলা ভাইরাস আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায়নি।
তিনি রবিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষের এক প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, চলতি বছরের ১০ আগস্ট থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ইবোলা আক্রান্ত দেশ থেকে ২১৬ জন যাত্রীকে এ সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৮২ জন যাত্রীর ২১ দিন পর্যন্ত বিশেষ পর্যবেক্ষণ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইবোলা ভাইরাস প্রতিরোধকল্পে দেশের প্রত্যেক আন্তর্জাতিক প্রবেশ বন্দরে (৩টি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, ২টি নৌ বন্দর ও ২২টি স্থল বন্দর) মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। পিপিইসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করে পশ্চিম আফ্রিকার আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আগত যাত্রীদের স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালু করা হয়েছে এবং সুস্থ যাত্রীদের ২১ দিন পর্যন্ত বিশেষ পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ইবোলা রোগ প্রতিরোধকল্পে ইতোমধ্যেই ৭টি থার্মাল স্ক্যানার ক্রয় করা হয়েছে। এরমধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ৩টি, হযরত শাহ আমানত বিমান বন্দরে ১টি, এম এ জি ওসমানী বিমান বন্দরে ১টি এবং বেনাপোল স্থল বন্দরে ১টি থার্মাল স্ক্যানার স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য একটি থার্মাল স্ক্যানার মজুদ রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাজধানীসহ দেশে আন্তর্জাতিক প্রবেশ বন্দরের সংশ্লিষ্ট জেলায় মোট ১৯টি ‘ইবোলা আইসোলেশন ওয়ার্ড’ চালু করা হয়েছে।