শ্বশুর বাড়ির সবাই আত্মহত্যা বললেও শামারুখের বাবা নুরুল ইসলাম হত্যার অভিযোগে মামলা করেছেন। সেই মামলায় রিমান্ড শেষে শামারুখের স্বামী হুমায়ুন সুলতানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই মামলার আসামি টিপু সুলতান ও তার স্ত্রী ডা. জেসমিন আরা বেগম জামিনে রয়েছেন।
গত ১৩ নভেম্বর মারা যাওয়া শামারুখের লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন রোববার বিকালে ধানমণ্ডি থানা পুলিশ হাতে পায়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতানের পুত্রবধূ চিকিৎসক শামারুখ মাহজাবিন শ্যামা আত্মহত্যা করেছেন । তবে এই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে শামারুখের পরিবার। তারা আগেই বলে আসছিল যে টিপু সুলতান ও তার চিকিৎসক স্ত্রী এই প্রতিবেদনকে প্রভাবিত করতে পারেন।
শামারুখের বাবা নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “এই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।” পুনরায় ময়নাতদন্ত করার জন্য আদালতে আবেদন করবেন বলেও জানান তিনি। নুরুল ইসলাম ইতোপূর্বে বলেছেন, মেরে ফেলা হতে পারে এমন আশঙ্কার কথা শামারুখ তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথায় বলেছিলেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম বলেন, শামারুখের মৃত্যুর দিন তার শ্বশুর বাড়ি থেকে একটি ডায়রি পাওয়া গিয়েছিল। সেটি শামারুখের কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। এছাড়াও শামারুখ ও তার বাবার মোবাইল ফোনে কথপোকথনের রেকর্ড পাওয়ার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক সাংবাদিকদের বলেন, “ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শামারুখ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছেন। আত্মহত্যা হলেও তাকে (শামারুখ) কেউ প্ররোচিত করেছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখবে পুলিশ।”