মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেনের ফাঁসির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আনন্দ-উল্লাস করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। সোমবার দুপুরে রায় ঘোষণার পর পর রাজধানীর শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘরের সামনে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা। এ সময় তারা রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে একটি আনন্দ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে আবার একই জায়গায় এসে শেষ হয়। এর আগে সকাল ১০টার দিকে মোবারক হোসেনের ফাঁসির দাবিতে জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেয় মঞ্চের কর্মীরা।
রায় পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সনাতন ধর্মালম্বীদের মন্দির দখল করে তিনি রাজাকারদের আশ্রয় দিয়েছিলেন। আর এই মন্দিরগুলোকে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন সেল হিসেবে ব্যবহার করেন। সেই চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী মোবারক হোসেনের ফাঁসির রায় প্রত্যাশিত ছিল এবং সেটিই হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধী দোলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়ের রিভিউ পিটিশন ও কামারুজ্জামানের রায় কার্যকর নিয়ে কালক্ষেপণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, একাধারে যুদ্ধাপরাধীদের রায় দেওয়া হচ্ছে কিন্তু রায়গুলোর কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না।
এদিকে মঞ্চের অন্যাংশের মুখপাত্র কামাল পাশাও একটি আনন্দ মিছিল বের করে। মিছিলটি শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসি মোড় ঘুরে জাতীয় জাদুঘরে সামনে গিয়ে শেষ হয়।