টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আইসিএলের এমডিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ

 
 
 
 
 
গ্রাহকদের হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আইডিয়াল কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের (আইসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এইচ এন এম শফিকুর রহমানকে আবার জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ থেকে দুপুর পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের উপপরিচালক হামিদুল হাসান তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। এর আগে একাধিকবার আইসিএলের এমডিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২০ মার্চ আইসিএল গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রতারণাপূর্বক ২৮৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধান পর্যায়ে এ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের পরিমাণ বেড়ে হাজার কোটি টাকায় দাঁড়ায়।
দুদক সূত্র জানিয়েছে— এ প্রতারণা অনুসন্ধানে দুদক তাদের কাছে ২০০১ থেকে ২০১২ অর্থ-বছরের মোট হিসাব চাইলেও তারা দুদকে তা দাখিল করেনি। তবে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে তাদের কী পরিমাণ দায় রয়েছে, তার হিসাব দুদকে জমা দিয়েছে। আইসিএলের দেয়া সম্পদের হিসাব অনুসারে ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চলে ৯৪৫ কোটি টাকা গ্রুপটির দায় রয়েছে।
অভিযোগের ব্যাপারে দুদক সূত্র জানিয়েছে— দীর্ঘ এক যুগ ধরে আইসিএল গ্রুপ তাদের গ্রাহকদের সঙ্গে প্রারণা করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা প্রতি মাসে লাখপ্রতি ২৪ থেকে ৩০ শতাংশ লাভের প্রলোভনে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এ ছাড়া, ২০০১ থেকে ২০১২ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির অডিট রিপোর্টে বেশ কিছু আপত্তি রয়েছে।
অভিযোগ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যেই আইসিএলের এমডি এইচ এন এম শফিকুর রহমান, চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম, পরিচালক (এমডির শ্যালক) মো. ফখরুল ইসলাম, কাজী শামসুন নাহার মিনা (এমডির স্ত্রী), এ টি এম খোরশেদ আলম, আশরাফুল ইসলাম (ইমরান), শেখ আহমেদ, এসএম মোরশেদ জুয়েল, মো. সাইফুজ্জামান (মার্শাল), মো. আনিসুর রহমান (বাবু) ও মো. আবুল হাশেমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।