ভেনেজুয়েলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি কারাগারের হাসপাতাল থেকে জোর করে নেয়া মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে ৩৫ বন্দির মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, আরো ১০০ বন্দি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, যাদের মধ্যে ২০ জনের অবস্থা গুরতর বলে জানিয়েছেন দেশটির ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টির পার্লামেন্ট সদস্য উইলিয়াম ওজেদা। খবর বিবিসির।
শনিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় নগরী বারকুইসিমেতোর কাছে ইউরিবানা কারাগারের হাসপাতাল ভেঙে জোর করে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ নেয় বন্দিরা। তারা জেলখানার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবাদ করে আসছিলেন। ওজেদা বলেন, বন্দিরা ইনসুলিন, অ্যান্টিবায়েটিক ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন ধরনের বাজেয়াপ্ত ওষুধ সেবন করেন। তবে কারাগারের প্রহরীরা বন্দিদের ওপর বিষ প্রয়োগ করেছে বলে তাদের স্বজনরা অভিযোগ করছে। এ সব মৃত্যুর ব্যাপারে কারাগারের পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছে দেশটির চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। বৃহস্পতিবার প্রথমিকভাবে ১৩ বন্দির মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।
ভেনেজুয়েলার অধিকাংশ কারাগারই পরিচালনা করে সশস্ত্র বন্দিরা। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর নামমাত্র নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রিজন অবজারভেটরি নামে এক সংগঠন। ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে ভেনেজুয়েলায় অপরাধ ও হত্যাকাণ্ডের হার তুলনামূলকভাবে বেশি। এ সব নিয়ে মামলা মোকাবিলায় দেশটির বিচার ব্যবস্থা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে।