স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়য়ে হৃদয়বান ডাক্তার প্রয়োজন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের জন্য হূদয়বান ডাক্তার প্রয়োজন উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সরকারের একার পক্ষে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। এ জন্য বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। শনিবার মিরপুরের শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ডা. এম আর খান অ্যান্ড আনোয়ারা ট্রাস্ট গোল্ড মেডেল এবং শিশু ফাউন্ডেশন কর্তৃক শিশু বন্ধু গোল্ড মেডেল প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশনের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক  দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ বক্তব্য দেন। বিত্তবানদের হাসপাতাল বা হাসপাতালের বিভিন্ন উপকরণ দানের ক্ষেত্রে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অনেকে বিত্তশালী লোক আছে। তারা বড় বড় গার্মেন্টস হোটেল তৈরি করেন। এগুলো দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন। তারা একটি হাসপাতাল করতে চান না। যদি এ সব উদ্যোক্তারা হাসপাতাল বা হাসপাতালের কোনো যন্ত্রপাতি বা উপকরণ কিনে দেন তবে দেশের দরিদ্র মানুষের অনেক উপকার আসবে। বড় হাসপাতালের মালিকরা কেন সাহস করে বলতে পারেন না, সপ্তাহে একদিন দুই-তিন ঘণ্টা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা, দেয়া হবে। ডা. এম খানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী বাংলাদেশ দখল করে রেখেছিল। তখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় জন্ম গ্রহণ করেন।  এ সময় ঝুঁকি নিয়ে ডা. এম আর খান শেখ হাসিনার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীও ডা. এম আর খানকে সম্মান করেন। ডা. এম আর খান শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক কিছু করেছেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘সরকার স্বাস্থ্য সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চায়। আমরা গ্রামে ডাক্তার রাখার ব্যবস্থা করছি। গ্রামে ডাক্তার পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে নীতিমালা করেছি। তরুণ ডাক্তাররা নিজ গ্রামে গিয়ে দুই বছর চিকিত্সা সেবা দিতে পারবে। এবারে ডা. এস আর খান অ্যান্ড আনোয়ারা ট্রাস্ট গোল্ড মেডেল (চিকিত্সা ও সমাজসেবা) পেলেন অধ্যাপক ডা. এ এফ এম মাসউদ। চলতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি ইন্তেকাল করেন। তার পক্ষে পদকটি গ্রহণ করেন তার স্ত্রী ডা. মেহেরুন্নেসা। ডা. এ এফ এম মাসউদ। সেভিং নিউ বর্ন লাইভ প্রকল্পের জন্য শিশু বন্ধু স্বর্ণপদক পেয়েছে সেভ দ্য চিলড্রেন।