সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্য পদে বহাল থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়েরকৃত রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন।
গত ২৭ নভেম্বর লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্য পদে বহাল থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ। আবেদনে বলা হয়, ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুসারে সংসদ সদস্য হতে হলে কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে হবে বা স্বতন্ত্র হিসাবে থাকতে হবে। লতিফ সিদ্দিকী দুটির একটির মধ্যেও পড়েন না। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হলেও এখন তিনি দলটিতে নেই। তাই সংবিধান অনুযায়ী তাঁর সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকতে পারে না। আবেদনটি উপস্থাপনের পর তা খারিজ করে দেয়া হয়। আদালত বলে, এগুলো নির্বাচন কমিশনের বিষয়। তারাই বিষয়টি দেখবে।
পবিত্র হজ্ব নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে প্রায় দুই ডজন মামলা হয়। এর মধ্যে অনেকগুলো মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এছাড়া বিভিন্ন ইসলামিক রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলনের কর্মসূচী ঘোষণা করেন। এই প্রেক্ষাপটে মন্ত্রীর পদ ও দল থেকে লতিফকে বহিস্কার করে আওয়ামী লীগ সরকার। গত ২৩ নভেম্বর তিনি ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন। এরপর চলে যান অজ্ঞাত স্থানে। পরদিন ধানমন্ডি থানায় গিয়ে আতœসমর্পণ করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।