এরশাদের এমপি পদ বাতিলের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ

 
নির্বাচন কমিশনের হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এইচ এম এরশাদের সংসদ সদস্যপদ বাতিল চেয়ে দায়েরকৃত রিট আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের ডিভিশণ বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন।
গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে রংপুর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এরশাদ। কিন্তু এরশাদ নির্বাচন কমিশনে দাখিলকৃত হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও সম্পদের বিষয়ে তথ্য গোপন করেছেন বলে আবেদনে দাবি করেন রিটকারী জাসদ নেতা ও একই আসন থেকে দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া সাব্বির আহমেদ।
গত নভেম্বর মাসে হাইকোর্টে এ রিট করেন তিনি। এতে তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে ঘোষণার আবেদন জানানো হয়। রিট আবেদনে এরশাদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং বিএ পরীক্ষার সনদের প্রমাণ হাজিরের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
আবেদনে বলা হয়, হলফনামা এরশাদ উল্লেখ করেছেন যে ১৯৯০ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় তিনি একটি জিডি করেন। এতে বলা হয়েছে যে তিনি তার শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সার্টিফিকেট হারিয়ে ফেলেছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত অনুলিপি দাখিল করে তিনি নবম ও দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন। মূল সার্টিফিকেট দাখিলের বিষয়ে তথ্য গোপন অবিশ্বাস্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
আবেদনটি শুনানির জন্য আসলে আদালত কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন বলে জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোখলেসুর রহমান। এখন আবেদনটি অন্য কোনো আদালতে উপস্থাপন করতে পারবেন বলে জানান আইনজীবীরা।