সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়ক দুর্ঘটনা আগের থেকে তুলনামূলক কমেছে। দুর্ঘটনা একেবারে বন্ধ না হলেও সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। দুর্ঘটনা বন্ধে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে সড়ক পরিবহন অধ্যাদেশকে যুগোপযোগী আইনে পরিণত করা না গেলে এ খাতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে না।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বিআরটিএ’র প্রধান কার্যালয়ে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে পরিবহন মালিক শ্রমিকসহ স্ট্যাক হোল্ডারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি আরো বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরীর ব্যাপারটি প্রধানমন্ত্রী নিজেও দেখছেন। এজন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা রবিবারের মাঝে প্রতিবেদন দেবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারের ভেতরের একজন প্রভাবশালী শ্রমিক নেতার আপত্তির কারণে দীর্ঘ দিন চালকদের শাস্তির আইনটি সংস্থার হচ্ছে না এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শাস্তির আইনটি সংস্কার করা হবে বলেও জানান তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া আমরা তৈরি করে ফেলেছি। এটা করবার আগেই একদফা স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা হয়েছে, প্রয়োজনে আবার করবো কিন্তু সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। ফিটনেস বিহীন গাড়ীর বিরুদ্ধে চলমান অভিযান সম্পর্কে তিনি বলেন, ১০ হাজার ৯৫৬টি মামলা হয়েছে, জরিমানা করা হয়েছে ৭৮ লাখ ৩২ হাজার টাকা, ৪৫ জনকে কারাদন্ড প্রদান এবং ২৯৬ টি যানবাহনকে ডাম্পিং করা হয়েছে। আর কয়েক হাজার গাড়ির ব্যাটারী খুলে নেয়া হয়েছে।