বিএনপির কথা ও কাজে মিল না থাকায় জনগণ মাঠে নামছে না

বিএনপির কথা ও কাজে মিল না থাকায় জনগণ মাঠে নামছে না । জনগণের কাছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ‘দুর্গন্ধময়’। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, জনগণ বিএনপিকে খুব পছন্দ করে। আমাদের কমিটমেন্ট না থাকায় জনগণ হতাশ। দলের বড় বড় পদ নেয়ার ব্যাপারে আমরা আগ্রহ দেখাই, কিন্তু পদ নেয়ার পর আমাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।

গতকাল ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘দেশনেত্রী পরিষদ’ আয়োজিত আলোচনা সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এসব কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘সরকার যেভাবে ছক তৈরি করছে তাতে যে কোনো মুহূর্তে খালেদা জিয়া গ্রেফতার হতে পারেন। তাই যে যেখানে আছেন সেখান থেকেই প্রস্তুতি নিন। যাতে সময় হলেই বেরিয়ে পড়তে পারেন। নেত্রীর নির্দেশের অপেক্ষায় বসে থাকবেন না।’

তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়া ও থাকার প্রয়োজনে আওয়ামী লীগ-বিএনপি উভয় দলই মীর জাফর, রাজাকার, স্বৈরাচার, বাকশাল এবং সংস্কারপন্থীদের বুকে টেনে নিয়েছে, কোলাকুলি ও মোলাকাত করেছে। খালেদা জিয়ার আপোসহীন নেতৃত্ব, যুব ও ছাত্রসংগঠনের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে এরশাদের পতন হয়েছিল। কিন্তু কী এমন প্রয়োজন হয়েছিল যে ১৯৯৬-২০০১ আমলে সেই এরশাদকে নিয়েই আমাদের আন্দোলন করতে হলো? ওই সময় বিএনপির যে সব অনুষ্ঠানে এরশাদ উপস্থিত থেকেছেন সে সব অনুষ্ঠান মঞ্চ তো দূরের কথা তার ধারের কাছেও আমি যাইনি। ব্যক্তি স্বার্থের জন্যও কেউ কেউ স্বৈরাচারের দালাল হয়েছেন। ১৯৮১ সালের পর বিএনপির অনেক বাঘা বাঘা নেতা এরশাদের বুটের তলায় আশ্রয় নিয়েছেন।