বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সুদৃঢ় সম্পর্ক তৈরির কাজ চলছে-----------উইলিয়াম ব্রাউন ফিল্ড

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সুদৃঢ় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির জন্য কাজ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো উন্নয়নের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে। পুলিশের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ওপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দফতরের আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্য ও আইন-শৃঙ্খলা প্রয়োগ বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী উইলিয়াম ব্রাউনফিল্ড তিন দিনের সফর শেষে গতকাল বারিধারার আমেরিকান সেন্টারে ‘গুড গিভিং কাউন্টারিং টেরোরিজম ফিন্যান্সিং এন্ড ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিজম ইন দ্য চ্যারিটেবল কম্যুনিটি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। ব্রাউন ফিল্ড আরো বলেন, পুলিশের মধ্যে মহিলা পুলিশ বাংলাদেশে অনেক বেশি ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে তারা যে কোন পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে। এটা যুগোপযোগী পুলিশ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ভালো দিক।

পুলিশের মধ্যে বিশেষায়িত ইউনিট র্যাবে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রাউন ফিল্ড বলেন, পুলিশ কাজ করবে তার স্থানীয় জনগণের জন্য। পুরো সমাজের নিরাপত্তার জন্য কাজ করবে আমর্ড ফোর্সেস। পুলিশকে এজন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ, উন্নত যন্ত্রপাতির ব্যবহার ও ঘটনা তদন্তের জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে। তবেই ‘গুড পুলিশিং’-এর সুফল স্থানীয়রা ভোগ করতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, অপরাধের বিচার কাজের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা দিচ্ছে। এজন্য বিচারক, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আইনজীবীদের সাথে পৃথকভাবে আইনগত দিক নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

তিন দিনের এ সফরে গত রবিবার উইলিয়াম ব্রাউন ফিল্ড পুলিশ সদর দফতরে আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেন। উইলিয়াম ব্রাউনফিল্ড জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মার্কিন সহায়তার আশ্বাস দেন। সাক্ষাত্কালে পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (অপারেশন) চৌধুরী আব্দুল­াহ আল মামুন, অতিরিক্ত ডিআইজি (স্পেশাল ক্রাইম এন্ড প্রসিকিউশন) জহিরুল ইসলাম ভুঁইয়া, এআইজি (গোপনীয়) মাহ্ফুজুর রহমান  এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।