ইএফটি জালিয়াতি

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন

 
 
 
 
ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) জালিয়াতি করে এক কোটি ৩১ লাখ ২৬ হাজার ৪০০ টাকা আত্মসাতের দায়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার কমিশনের বৈঠকে এ অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দেয়া হয়। ২০১৩ সালের ৪ জুলাই রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি (মামলা নং-৮) দায়ের করা হয়। এর আগে গত ১৬ নভেম্বর ইএফটি জালিয়াতির মাধ্যমে এক কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এই সাতজনের বিরুদ্ধে অপর একটি মামলার চার্জশিট অনুমোদন করে দুদক। 
যাদের নাম এ অভিযোগ পত্রে রয়েছে, তারা হলেন— অর্থ মন্ত্রণালয়ের (সিএও) এসএএস সুপার (সাময়িক বরখাস্ত) মো. শরিফুল ইসলাম, মেসার্স সিয়াম গ্রুপ কেয়ারের মালিক মো. সাদেকুল ইসলাম, মো. তানভীর সরকার, খাদিজা খাতুন দিনা, মো. ফিরোজ কবীর, মো. মুরাদ মোর্শেদ ও সুফিয়া সরকার। এ ছাড়া, ডাক ও তার দূরালাপনি অডিট অধিদফতরের উপপরিচালক জেবুননেসা হায়দারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন স্থানান্তরের জন্য মো. শরিফুল ইসলাম একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ইএফটি অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত করা হয়। অভিযুক্ত মো. শরিফুল ইসলাম অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ছয়টি অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং ওই অ্যাকাউন্টগুলোর সঙ্গে ইএফটি অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত করেন। এরপর শরিফুল ইসলাম তার স্ত্রী, আপন ভাই, বোন, ভাগনের নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং তাদের অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। তারপর তাদের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাত্ করেন।