সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, ‘বর্তমান প্রতিযোগিতার যুগে মানুষের চাহিদা মাথায় রেখে বেতারকে যুগোপোযোগী করে সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে হবে। বেতারের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ভালো লাগার জায়গা তৈরি করে মানুষের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে।’ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ বেতার ভবন মিলনায়তনে বাংলাদশে বেতারের হীরক জয়ন্ত্রী উপলক্ষে ‘দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে আমাদের বেতার চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ সব কথা বলেন।
‘মিডিয়াগুলো (টেলিভিশন-পত্রিকা) সরকারের সমালোচনায় ব্যস্ত, তারা উন্নয়ন নিয়ে কোনো আলোচনা করে না’ বলে মন্তব্য করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী।
সেমিনারে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৭টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে দুটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এই দুটি প্রতিষ্ঠানই অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ে ভালো রয়েছে। আমরা বাংলাদেশ বেতারকে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান করার পরিকল্পনা করছি, তখন তারা আরো ভালো করবে।’
সংস্কৃতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের সন্তানদের যেভাবে বাংলা চ্যানেলের পরিবর্তে হিন্দি চ্যানেলগুলো দেখানো হচ্ছে, তাতে করে ভবিষ্যতে তারা বাংলার পরিবর্তে হিন্দি ভাষায় কথা বলা শুরু করবে।’
বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক কাজী আক্তার উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন— বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান খান, প্রখ্যাত সাংবাদিক আবেদ খান ও কামাল লোহানী, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এস এম মাহবুবুল আলম, অভিনেতা হাসান ইমাম প্রমুখ।