যশোরে এমপিকে ধাওয়া, পুলিশের গুলি লাঠিচার্জআহত ১০ নেতাকর্মী

যশোরের বাঘারপাড়ায় এমপিকে ধাওয়ার পর পুলিশের গুলি ও লাঠিচার্জে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার বিকালে বাঘারপাড়ার বেতালপাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ওয়ার্ড সম্মেলন শেষ না করেই বাঘারপাড়ার জহুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আয়োজন করায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে এমপি রণজিত্ কুমার রায়সহ নেতাদের ধাওয়া দিলে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ তিনজন হলেন উপজেলার হুলদা গ্রামের শরিফুল ইসলাম (৩০), দক্ষিণ সলুয়া গ্রামের মহিন (২০) ও হুলিহট্ট গ্রামের মাসুদ (২৫)। এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছেন হুলদা গ্রামের নাইম (২২), টিপু (৩০), আজিজুরসহ (২৫) আরও কয়েকজন। গুলিবিদ্ধ দু’জনকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জহুরপুর ইউনিয়নের ৪টি ওয়ার্ডের সম্মেলন শেষ না করেই ইউনিয়ন কমিটি গঠনের তারিখ দেন উপজেলা নেতৃবৃন্দ। গতকাল বুধবার ছিল এই সম্মেলনের দিন। এদিন বিকালে সম্মেলনে ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা নেতৃবৃন্দকে ধাওয়া করেন সাধারণ কর্মীরা। এসময় যশোর-৫ আসনের এমপি ও বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রণজিত্ কুমার রায় একটি ঘরে আশ্রয় নেন। নেতাকর্মীরা তাকে একঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে অতিরিক্তি পুলিশ গিয়ে তাকে মুক্ত করে। আর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলফিক্কার আলী জুলাইসহ অন্য নেতারা সরে পড়েন।

বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম আলী সরদার জানান, আওয়ামী লীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাবার বুলেট ছুঁড়েছে। তবে এমপি অবরুদ্ধের বিষয়ে ওসি অস্বীকার করেছেন।