‘শিশু অন্ধত্ব দূর করতে সরকার পরিসংখ্যান করছে’

 
 
 
দেশে শিশু অন্ধত্ব দূর করতে কী করণীয়, তা নির্ণয় এবং সে বিষয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না গেলে ভবিষ্যত্ প্রজন্মের একটি বড় অংশ দীর্ঘস্থায়ী অন্ধেত্বের শিকার হবে বলে মনে করেন বিজ্ঞজনরা। তারা বলেন, অবস্থা পরিবর্তনে সঠিক পরিসংখ্যান জানা জরুরি। আর এই জরুরি কাজটি সম্পন্ন করার জন্য সরকার একটি জরিপ চালানোর পরিকল্পনা করছে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সিম্পোজিয়ামে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন ন্যাশনাল আই কেয়ারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। অরবিস ইন্টারন্যাশনাল মিরপুরে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সে ‘সর্বজনীন চক্ষুস্বাস্থ্য: বাংলাদেশে অরবিসের উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক এ সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করে।
ন্যাশনাল আই কেয়ারের পক্ষ থেকে অধ্যাপক এনায়েত বলেন, চক্ষুরোগের চিকিত্সায় মেডিক্যাল কলেজগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ফলোআপ সেবা প্রদানেরও পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সিম্পোজিয়ামে তিনি ‘সর্বজনীন চক্ষু স্বাস্থ্য:শিশু অন্ধত্ব’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনীর আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বলা হয় বিশ্বের ডায়াবেটিক রোগীদের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশই ডায়াবেটিস-সংশ্লিষ্ট চক্ষুরোগ আক্রান্ত। বিশ্ব ডায়াবেটিক ফেডারেশনের তথ্য মতে, বাংলাদেশে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ১১ লাখে পৌঁছাবে ।
পঞ্চম আঞ্চলিক জনস্বাস্থ্য সম্মেলনে এ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। ব্র্যাকের প্রধান ফজলে হাসান আবেদ গত বুধবার দুই দিনের এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন।