জেন্ডার ইস্যুটি সমাজ, দেশ এবং ব্যক্তিগত জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গির আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। নারীর ক্ষমতায়ন একটি দেশ ও সমাজের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সব দিক থেকেই প্রগতির পরিচয় বহন করে। তাই দেশের নারীর অবস্থা পরিবর্তনে ‘জেন্ডার, নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক শিক্ষা জরুরি বলে মনে করেন বিজ্ঞজনরা। শনিবার মহিলা পরিষদ পরিচালিত ‘জেন্ডার, নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন’ সার্টিফিকেট কোর্সের সমাপণী ও সনদপত্র বিতরণ তারা এ মন্তব্য প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর্য শিল্পী ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন— জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ড. আইনুন নাহার, কোর্স পরিচালক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম এবং কোর্সে অংশগ্রহণকারী শরীফা পারভীন ও নাজমা আরা বেগম পপি। মোট ২৬ জন প্রশিক্ষণার্থী কোর্সে অংশগ্রহণ করেন।
কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী ভবিষ্যতে দেশের ও সমাজের জন্যে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সভাপতি আয়শা খানম বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, নারী-পুরুষের সমাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনসহ দেশ ও সমাজে একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও দৃস্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠার যে সংগ্রাম প্রতিনিয়ত করছে জেন্ডারবিষয়ক এ সার্টিফিকেট কোর্স সেই কাজের একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ‘জেন্ডার, নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক এ কোর্সটি পরিচালনার মাধ্যমে উপলব্ধি ও চেতনার ক্ষেত্রে একটি অগ্রসরমান দৃষ্টিভঙ্গি নির্মাণের চেষ্টা করছে। বুদ্ধিবৃত্তিক কাঠামো এই উপলব্ধি সৃষ্টিতে সহযোগিতা করে- মহিলা পরিষদের বর্ণিত সার্টিফেকেট কোর্সটি সেই কাজটি করার প্রয়াস চালাচ্ছে।