মানবতাবিরোধী অপরাধ: কায়সারের রায় মঙ্গলবার

 
সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির নেতা সৈয়দ মো. কায়সারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় মঙ্গলবার। সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই দিন ধার্য করেন।
এর আগে বিচারিক কার্যক্রম শেষ হওয়ায় গত ২০ আগস্ট রায় ঘোষণা অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। ঐদিন অসুস্থতার কারণে জামিনে থাকা কায়সারের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।  
কায়সারের বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা ও ধর্ষণসহ ১৬টি অভিযোগ রয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কায়সার বাহিনী পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগী বাহিনীর মতো কাজ করেছে। স্থানীয় এই মিলিশিয়ারা পাকিস্তানি সেনাদের অপারেশনে সহায়তা করেছে। তাদের বিভিন্ন জায়গা ও ব্যক্তি চিনিয়ে দিতো কায়সার বাহিনীর সদস্যরা। একাত্তরে ২২টি গ্রামে প্রায় ১০৮ জনকে হত্যার ঘটনাকে গণহত্যার দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। তার বিরুদ্ধে আনা ১৬টি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করেছেন।
তবে আসামিপক্ষের দাবি, অভিযুক্ত কায়সারের বিরুদ্ধে আনা ১৬ অভিযোগের একটিও রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পারেনি। এজন্য আসামিকে সকল অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত ১০ আগস্ট থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করে ১৯ আগস্ট শেষ করে আসামিপক্ষ। এর আগে গত ২৩ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত কায়সারের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
গত ২ ফেব্রুয়ারি ১৬টি অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে সৈয়দ মো. কায়সারের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়। ৯ মার্চ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ৩২ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। তবে কায়সারের পক্ষে কেউ সাফাই সাক্ষী দেননি।