আসামের কয়েকটি স্থানে বড়ো বিদ্রোহীদের হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সোনিতপুর ও কোকড়াঝাড় জেলার অন্তত পাঁচটি স্থানে একযোগে এই হামলা চালানো হয় বলে আসাম পুলিশ জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১০ জন নারী ও ১৩টি শিশু রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিরোধী ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট অফ বড়োল্যান্ড (এনডিএফবি-সংবিজিৎ) এই হামলা চালিয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে। আসাম রাজ্য পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পল্লব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, পাঁচটি স্থানে হামলায় ৪০ জন নিহত হয়েছেন। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। অসমর্থিত কয়েকটি সূত্রের খবর, প্রত্যন্ত এলাকায় এই হামলায় নিহতের সংখ্যা অন্তত ৫০।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, চা বাগানের আদিবাসী শ্রমিক এবং মুসলিম বাসিন্দারা ছিল এই হামলার লক্ষ্য। দুর্গম ওই এলাকায় মৃতদেহের সন্ধানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। আসাম রাজ্য পুলিশের প্রধান খগেন শর্মার ধারণা, গত ৩০ দিন ধরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সেখানে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যে অভিযান চালাচ্ছে, এই হামলার তারই প্রতিশোধ। আসামের ভুটান সীমান্তে যৌথ অভিযানে গত রোববার এনডিএফবি (সংবিজিৎ) এর শীর্ষ পর্যায়ের দুই নেতা নিহত হওয়ার পর বিদ্রোহী দলটি প্রতিশোধের ঘোষণা দিয়েছিল।
স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েকদিন ধরেই এলাকা ছাড়তে চাপ দিয়ে আসছিল বোড়ে বিদ্রোহীরা।
হামলার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য ছয় মন্ত্রীকে পাঠিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ। যৌথ অভিযোন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
(বিডিনিউজ)