রাজধানীর নিকুঞ্জে গবাদি পশু ও হাঁস মুরগির নকল ওষুধ তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ভেজাল ওষুধ তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে কারখানাটি সিলগালা করে দিয়েছে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ এম আনোয়ার পাশা। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিকুঞ্জ-২ এর ১ নম্ব্বর সড়কের খ-১৭৮/ডি বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পাশা জানান, তোফাজ্জল হোসেন (৬০) তার টিনশেড বাড়ির একপাশে টিনের ছাপড়া তুলে গবাদি পশুর ওষুধ তৈরির কারখানা দিয়েছেন। তিনি প্রায় ১৯ ধরনের নকল ওষুধ তৈরি করে আসছিলেন। বিদেশি নামি ওষুধ এখানে বসেই তৈরি করে বাজারজাত করছেন। এছাড়াও কারখানায় নিয়ম অনুযায়ী কেমিস্ট ও ভেটেরিনারিয়ানের তত্ত্ববধানে ওষুধ তৈরি বাধ্যতামূলক হলেও মেহেদী হাসান (২০) নামের একজন অশিক্ষিত ব্যক্তি ওষুধ তৈরি করেন।
তিনি জানান, ফিড প্রিমিও তৈরির জন্য প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স পেলেও তারা অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি শুরু করে। অভিযানের সময় প্রাণি সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. আহাম্মদ জিয়াউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরো জানান, যেসব পণ্য এখানে তৈরি হচ্ছে, তা তৈরির পরিবেশ ও জনবল এখানে নেই এবং ওষুধ তৈরির অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও গবাদি পশুর ওষুধ তৈরি হচ্ছিল।
অভিযান র্যাব-১-এর এএসপি আকরামুল হাসান পরিচালনা করেন। তিনি জানান, এ ধরনের অবৈধ কারখানার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে। তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযান শেষে কারখানাটি সিলগালা করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় কর্মচারী মেহেদী হাসানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।