শুক্রবার বিকাল চারটায় খেলতে গিয়ে গভীর পাইপে পড়ে যায় চার বছরের শিশু জিহাদ। এ খবর দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টা খানেকের মধ্যে শুরু হয় শিশুটিকে উদ্ধারের তৎপরতা। এরপর উদ্ধার অভিযান চলে প্রায় রাতভর।
শনিবার রাত পৌনে তিনটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান জানান, শিশুটির কোনো সন্ধান তারা পাননি।
এর আগে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকারী দলের একজন জানান, শিশুটি পাইপের ভেতর থেকে সাড়া দিচ্ছে। তার জন্য পাঠানো হয় খাবার ও পানি। পাইপের মধ্যে দেওয়া হয় অক্সিজেন। এরপর থেকে উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে পাওয়া যায় একের পর এক বিভ্রান্তিকর তথ্য। রাত পৌনে তিনটার দিকে গর্তে পাঠানো ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে পাইপের মধ্যে আদৌ কোনো শিশু পড়েছে কি না, এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন উদ্ধারকর্মীরা। কেউ কেউ বলতে থাকেন, এটি গুজব। তবে অভিযান শেষ করা হয়নি। এর আগে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, শিশুটিকে পাওয়া না গেলেও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে থাকবেন। তারা আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবেন।
এর আগে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকারী দলের একজন জানান, শিশুটি পাইপের ভেতর থেকে সাড়া দিচ্ছে। তার জন্য পাঠানো হয় খাবার ও পানি। পাইপের মধ্যে দেওয়া হয় অক্সিজেন। এরপর থেকে উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে পাওয়া যায় একের পর এক বিভ্রান্তিকর তথ্য। রাত পৌনে তিনটার দিকে গর্তে পাঠানো ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে পাইপের মধ্যে আদৌ কোনো শিশু পড়েছে কি না, এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন উদ্ধারকর্মীরা। কেউ কেউ বলতে থাকেন, এটি গুজব। তবে অভিযান শেষ করা হয়নি। এর আগে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, শিশুটিকে পাওয়া না গেলেও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে থাকবেন। তারা আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবেন।
রাত পৌনে তিনটার দিকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক আবু সাইদ রায়হান দাবি করেন, গর্তে শিশু পড়ার ঘটনা গুজবও হতে পারে। ২টা ৫০ মিনিটের দিকে উদ্ধারকারী দল পাইপ থেকে ক্যামেরা তুলে নেয়।
২টা ৫৫ মিনিটের দিকে উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক আলী আহমদ খান জানান, শতভাগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে না।
২টা ৫৫ মিনিটের দিকে উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক আলী আহমদ খান জানান, শতভাগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে না।
রাত ৩টা ২০ মিনিটে বেসরকারি একটি বিশেষজ্ঞ দলের পক্ষ থেকে গর্তে ক্যামেরা ঢোকানো হয়। দলটি জানায়, সাড়ে ৬০০ ফুট গভীর পর্যন্ত তাদের ক্যামেরাটি গেছে। কিন্তু এতে মানবদেহের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।