দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও রাজধানীর শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনীতে গভীর পাইপের ভেতরে শিশু জিহাদের শনিবার পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া যায়নি।
উদ্ধারকাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি আবদুল হালিম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভেতরে কোনো শিশুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এখন দেশীয় প্রযুক্তিতে স্থানীয়রা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। আমরা সেই কাজে সহায়তা করছি মাত্র।
শুক্রবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে খেলার এক পর্যায়ে রেলওয়ের পরিত্যক্ত ঐ পাইপে জিহাদ নামে এক শিশু পড়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধারে প্রাণান্তকর নানা চেষ্টা চালিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা। শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত বিশেষ যন্ত্র ‘ক্যাচার’ পদ্ধতি দিয়ে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কয়েকবার রশি দিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। এ পদ্ধতিতে রশির সাথে বস্তা বেঁধে পাইপে ফেলানো হয়। শিশুটি বস্তায় উঠে বসে থাকলে উপরে উঠানো যেত। পাইপের ভেতর রশি ফেলে অন্তত পাঁচবার চেষ্টা করা হলেও ব্যর্থ হয়।
দড়ি দিয়ে উঠানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ক্রেন দিয়ে পাইপটি তুলে শিশুটিকে উদ্ধারে চেষ্টা চালানো হয়। ক্রেন দিয়ে দুই ইঞ্চি পাইপের প্রায় ৩০০ ফুটের পর্যন্ত ওঠানো হয়। পাইপ ওঠানো হলেও গর্তটি খুব চওড়া না হওয়ায় কাউকে নামিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
রাতেই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরা ব্যবহার করেও পাইপের ভেতর শিশুটির অস্তিত্বের সন্ধান পাওয়া যায়নি।