ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারী দল মঙ্গলবার জাভা সাগরে এয়ার এশিয়ার নিখোঁজ হওয়া বিমানের অনুসন্ধানকালে ৪০ টি লাশ উদ্ধার করেছে বলে দেশটির নৌবাহিনী জানিয়েছে। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা সংস্থার প্রধান বামবাং সোয়েলিসতিয়ো বলেন, তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর এএফপির
ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানান, তাদের উদ্ধারকারী একটি দল বোর্নিও দ্বীপের ইন্দোনেশীয় অংশের উপকূলে জাভা সাগরে ভাসমান কয়েকটি বস্তুর পাশাপাশি লাশগুলো দেখতে পায়। বস্তুগুলোর মধ্যে একটি বিমানের দরজা বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিমানে করে যে কয়েকটি এলাকায় তল্লাশি করা হচ্ছে তার মধ্যে এটি অন্যতম এলাকা।
তবে লাশগুলো যে নিখোঁজ বিমানের আরোহীদের তা সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
এক কর্মকর্তা জানান, ভাসমান বস্তুগুলো নিখোঁজ বিমানের হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ৯৫ ভাগ।
এয়ার এশিয়ার এয়ারবাস এ৩২০-২০০ গত রোববার ১৬২ জন আরোহী নিয়ে পূর্ব জাভার সুরাবায়ার জুয়ান্দা বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পথে জাভা সাগরে নিখোঁজ হয়। বিমানটিতে সাতজন ক্রু ও ১শ’ ৫৫ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ১৬ শিশুও রয়েছে।
নিখোঁজ যাত্রীদের মধ্যে ১৪৯ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। বাকি ছয় যাত্রীর মধ্যে তিনজন কোরিয়ার নাগরিক। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, ব্রিটেন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক ছিলেন।
নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মত তল্লাশি অভিযান চলছে। স্থল ও সমুদ্রের মোট ১৩ টি অঞ্চলে সন্ধান অভিযান বিস্তৃত করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানান, তাদের উদ্ধারকারী একটি দল বোর্নিও দ্বীপের ইন্দোনেশীয় অংশের উপকূলে জাভা সাগরে ভাসমান কয়েকটি বস্তুর পাশাপাশি লাশগুলো দেখতে পায়। বস্তুগুলোর মধ্যে একটি বিমানের দরজা বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিমানে করে যে কয়েকটি এলাকায় তল্লাশি করা হচ্ছে তার মধ্যে এটি অন্যতম এলাকা।
তবে লাশগুলো যে নিখোঁজ বিমানের আরোহীদের তা সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
এক কর্মকর্তা জানান, ভাসমান বস্তুগুলো নিখোঁজ বিমানের হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ৯৫ ভাগ।
এয়ার এশিয়ার এয়ারবাস এ৩২০-২০০ গত রোববার ১৬২ জন আরোহী নিয়ে পূর্ব জাভার সুরাবায়ার জুয়ান্দা বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পথে জাভা সাগরে নিখোঁজ হয়। বিমানটিতে সাতজন ক্রু ও ১শ’ ৫৫ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ১৬ শিশুও রয়েছে।
নিখোঁজ যাত্রীদের মধ্যে ১৪৯ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। বাকি ছয় যাত্রীর মধ্যে তিনজন কোরিয়ার নাগরিক। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, ব্রিটেন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক ছিলেন।
নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মত তল্লাশি অভিযান চলছে। স্থল ও সমুদ্রের মোট ১৩ টি অঞ্চলে সন্ধান অভিযান বিস্তৃত করা হয়েছে।