বডি ওর্ন ক্যামেরা: বুধবার থেকে ১৫, ফেব্রুয়ারির মধ্যে ১০০০

 
 
 
 
ঢাকার রাজপথে এখন থেকে ছোট অথচ অত্যাধুনিক ক্যামেরা শরীরে বেঁধে নেমেছেন পুলিশ সদস্যরা। প্রথম পর্যায়ে ১৫টি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। ঢাকা মহানগরের চারটি ট্রাফিক বিভাগে এগুলো বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার থার্টি ফার্স্ট নাইটে ক্যামেরাগুলো নিয়ে পুলিশের সদস্যরা নগরের বিভিন্ন সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে এক হাজার ক্যামেরা আনা হবে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ গত বছর থেকে এ ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার শুরু করেছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে এই ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরার কার্যক্রম উদ্বোধনকালে ডিএমপির পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়।
ডিএমপির বিদায়ী কমিশনার বেনজীর আহমেদ জানান— ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে পথচারীর রাস্তা পারাপার, গাড়ি মালিকের সঙ্গে ট্রাফিকের সঙ্গে সমন্বয় আরও বাড়বে। এ ছাড়া, পুলিশের কর্মকাণ্ডের নানা বিষয ভিডিও-অডিও রেকর্ড থাকবে। বেনজীর আহমেদ জানান, ট্রাফিক বিভাগের মাধ্যম প্রথম পর্যায়ে ১৫টি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পরে অপরাধ বিভাগ ও থানায় এ ধরনের ক্যামেরা দেয়া হবে। রাজপথে এভাবেই ছোট ক্যামেরা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন পুলিশ সদস্যরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চীনে তৈরি জিও-পিআরও মডেলের প্রতিটি ক্যামেরার দাম ২০ হাজার টাকা। সম্পূর্ণ এইচডি ফরম্যাটে ১৬ মেগাপিক্সেলের এই ক্যামেরায় একটানা আট ঘণ্টা দৃশ্য ও শব্দ ধারণ করা যাবে। ঝড়-বৃষ্টিতেও এগুলো সচল থাকবে। তবে কৃত্রিম আলো ছাড়া রাতের অন্ধকারে ভিডিও না হলেও অডিও রেকর্ড করা যাবে। এ ক্যামেরায় রাস্তার সব ধরনের চিত্র ও সার্জেন্টের কথোপকথন রেকর্ড থাকবে। এ রেকর্ড সার্জেন্ট নিজের ইচ্ছায় মুছে ফেলতে পারবেন না।
কাজ শেষে মেমোরি কার্ড থেকে ডাউনলোড করে ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করা যাবে। যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ গত বছর থেকে এ ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার শুরু করে। মাথায় বেল্টের মাধ্যমে মাথা ও শরীরে বেঁধে এই ক্যামেরায় চিত্র ধারণ করা যায়। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে এক হাজার ক্যামেরা আনা হবে।
ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ জানান, ঢাকা মহানগরের চারটি ট্রাফিক বিভাগে ১৫টি ক্যামেরা বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার থার্টি ফার্স্ট নাইটে ক্যামেরাগুলো নিয়ে পুলিশের সদস্যরা নগরের বিভিন্ন সড়কে দায়িত্ব পালন করেন।