জামায়াতের ডাকা দ্বিতীয় দিনের হরতালেও সাড়া মেলেনি। বৃহস্পতিবারও নগরবাসীর জীবনযাত্রা ছিল প্রায় স্বাভাবিক।
সকালের দিকে গণপরিবহন চলাচল কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। নির্ধারিত সময়ে বিমান ও রেল চলাচল করেছে। তবে রাজধানী থেকে দূর পাল্লার রুটে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। হরতাল আহ্বানকারীদের রাজপথে দেখা না মিললেও রাজধানীর প্রায় শতাধিক স্থানে হরতালবিরোধী মিছিল সমাবেশ করেছেন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে বুধ ও বৃহস্পতিবার হরতাল ডাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা দল জামায়াত। আজ সকাল ১০টার দিকে গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় হরতালের সমর্থনে ঝটিকা মিছিল বের করে শিবিরকর্মীরা। এ সময় তারা গাবতলী টার্মিনালের সামনে রাস্তার একপাশে দাঁড় করিয়ে রাখা একটি আট নম্বর খালি বাসে পেট্রোল বোমা ছোড়ে। গাড়ির কাচ ভেঙে সেটি ভেতরে ঢুকে গেলেও আগুন বেশি ছড়াতে পারেনি। পেট্রোল বোমা ছোড়ার পর হরতালকারীরা ৫/৬টি হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটনায়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। পরে রাস্তার উল্টো দিকে রাস্তার পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরো তিনটি পেট্রোল বোমা উদ্ধার করে পুলিশ।
সকাল সাতটার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি-১১ নম্বরে মিছিল বের করে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। পিকেটিংয়ের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। একই সময়ে হরতালের সমর্থনে রাজধানীর চকবাজার থেকে মিছিল বের করে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। মিছিলটি ইসলামবাগে গিয়ে শেষ হয়। এছাড়াও সকালে নবাবগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে মিছিল বের করে জামায়াত। মিছিলটি শেষ হয় চৌধুরীবাজার মোড়ে গিয়ে। সকাল পৌনে সাতটায় জামায়াতের একটি মিছিল বংশাল চৌরাস্তায় পৌঁছলে পুলিশ ধাওয়া দিলে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।