উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে সাংগঠনিক কর্মকান্ড জোরদার করার বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইন-২০১৫’র খসড়া ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সূত্র জানায়, বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এক বছর সফলভাবে দেশ পরিচালনা করেছে। এ ধারা অব্যাহত রেখে জনগণের কল্যাণে আরো মনোযোগী হওয়ার জন্য তিনি মন্ত্রিদের প্রতি নির্দেশ দেন।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্ট্যাডিজ (পিআইডিএস) একটি আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৭৪ সালে জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্ট্যাডিজ (বিআইডিএস)’ নাম হয়। ১৯৮৪ সালের সামরিক শাসনামলে প্রতিষ্ঠানটির ওপর একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকায় এখন সেই অধ্যাদেশের কিছু পরিবর্তন করে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক মাল্টি ডিসিপ্লিনারি অর্গানাইজেশন। বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশসমূহের জন্য উন্নয়ন ইস্যুতে নীতি নির্ধারনী গবেষণা পরিচালনা করে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বলেন, সংবিধিবদ্ধ প্রতষ্ঠান হিসেবে একটি ট্রাস্টি বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানে ট্রাস্টির সভাপতি পরিকল্পনামন্ত্রী। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা, গবেষকসহ ১৩ জন বিভিন্ন পেশার লোক এখানে আছেন। ট্রাস্টি বোর্ড ছাড়াও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি রয়েছে। এগুলো হলো নীতি, প্রশাসন ও অর্থবিষয়ক কমিটি।
এদিকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গত ২৫ থেকে ২৮ নভেম্বর ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রীর অংশগ্রহণ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এছাড়া বৈঠকে গত ২৪ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সিভিল রেজিস্ট্রেশন এন্ড ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিক সংক্রান্ত মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ সম্পর্কিত অপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।