যথাযোগ্য মর্যাদায় ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মতো বাংলাদেশেও প্রাণস্পর্শী শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় দিবসটি পালন করা হয়। সর্বস্তরের মানুষ এবং বিভিন্ন সংগঠন ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। রাজধানী ঢাকা, সকল বিভাগীয় নগরী, জেলা-উপজেলা, নগর-শহর ও সারাদেশের প্রত্যন্ত জনপদসহ সর্বত্র বিপুল উত্সাহ-উদ্দীপনায় দিনটি পালিত হয়।
মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আশেকানে গাউছিয়া মাইজভান্ডারির উদ্যোগে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রবিবার সেমিনার, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং পরে সাড়ে ১১টায় জশনে জুলুশে শোভাযাত্রা বের হয়। জমিয়তে আশেকানে মাইজভান্ডারি উত্তরা হাউস বিল্ডিং (নর্দান টাওয়ারের বিপরীত) থেকে জশনে জুলুশ বের করে। জাতীয় প্রেসক্লাব রবিবার বাদ আছর আলোচনা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে। আশেকানে গাউছিয়া মাইজভান্ডারি গুলিস্তান নাট্যমঞ্চ থেকে বিশাল জশনে জুলুসে র্যালি বের করে। নেতৃত্ব দেন সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব শাহসুফি মাওলানা সৈয়দ সহিদউদ্দীন আহমদ ভাইজভান্ডারি। এসময় এমপি হাজী সেলিম উপস্থিত ছিলেন। আশেকানে মাইজভান্ডারি এসোসিয়েশন দিবসটি উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও শোভাযাত্রার আয়োজন করে। শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন মাইজভান্ডার দরবার শরীফের পীর শাহসূফী হযরত মাওলানা ছৈয়দ মুজিবুল বশর মাইজভান্ডারি। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি। মহিঝিল বাবে রহমত দেওয়ানবাগ শরীফে আশেকে রাসুল (সা.) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নেতৃত্ব দেন হযরত সৈয়দ দেওয়ানবাগী। ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে মসজিদে মসজিদে ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। হযরত শাহ খাজা শরফুদ্দিন চিশতি (র.)-এর দরবারে কোরআন তেলাওয়াত, হাম্দ ও না’তে রাসূল (সা.) এবং বাদ মাগরিব ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।