স্ট্যালিনের নির্দেশে হত্যা করা হয়েছিল নেতাজিকে!

 
এতদিন সবাই জানতো ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু একটি বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। কিন্তু অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলা গঠিত মনোজ মুখোপাধ্যায় কমিশন পরে জানায়, ওই ঘটনাটি মিথ্যা। বরং নেতাজি ভারতের স্বাধীনতার পরও বেঁচে ছিলেন। এবার সেই বিতর্ক আরও উসকে দিলেন ১১৪ বছর বয়সী নিজামউদ্দিন।
এই ব্যক্তি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু গঠিত আজাদ হিন্দ ফৌজের এক প্রাক্তন সহযোদ্ধা। তিনি বলেছেন, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজি মারা গিয়েছেন বলে খবর রটে। কিন্তু, ওই বছরের শেষের দিকে নেতাজিকে মায়ানমার-থাইল্যান্ড সীমান্তে সিতাংপুর নদীরে ধারে গাড়ি করে নিয়ে যান তিনি। সেখানে নেতাজি নেমে যাওয়ার পর গাড়ি ঘুরিয়ে চলে আসেন নিজামউদ্দিন।
কেন ওখানে নেতাজি গিয়েছিলেন, এই উত্তর অবশ্য জানা নেই নিজামউদ্দিনের। শুধু বলেছেন, চলে যাওয়ার আগে নেতাজি জানিয়েছিলেন, কংগ্রেস ভারতের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে চলেছে। ইংরেজের সঙ্গে তাদের গোপন সমঝোতা হয়েছে। তাই ভারতকে স্বাধীন করতে আরও বিপুল শক্তি সঞ্চয় করে তিনি ফিরে আসবেন।

বিজেপির বিতর্কিত নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী বলেছেন, বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে তাঁর মনে হয়েছে যে, সাইবেরিয়াতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে গোপনে খুন করা হয়েছিল স্ট্যালিনের নির্দেশে। যদিও কেন স্ট্যালিন এই নির্দেশ দিয়েছিলেন, সে কথা বলেননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে যে ফাইলগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের হেফাজতে রয়েছে, সেগুলো খুললে ব্রিটেন ও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার তা জনসমক্ষে আনতে চাইছে না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তিনি কথা বলবেন বলেও জানান সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া