খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘এক সপ্তাহ বা ১০ দিন পর বিএনপি আন্দোলনের নামও নিতে পারবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এর জন্য যা যা করার তাই করবে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি মনে করেছে—বিদেশি বন্ধুরা এগিয়ে আসবে। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসবে না।’ শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার প্রতিহিংসার রাজনীতি, সরকারের করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) প্রধানকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ‘বিজিবি প্রধানকে আমি স্যালুট জানাই। তার বক্তব্যের সমালোচনা করছে কিছু তথাকথিত আইনজীবী ও বুদ্ধিজীবী। এরা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সুরে কথা বলে।’
খাদ্যমন্ত্রী বিএনপির মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি প্রসঙ্গে বলেন, ‘কে কথা দিয়েছিল, কোথায় চুক্তি হয়েছিল। কোথায় পাইলেন এই কথা। আপনাদের সঙ্গে কি কোনো কথা হয়েছিল যে, আমরা মাঝখানে নির্বাচন করব।’
নাট্যাভিনেতা ড. ইনামুল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতা ডা. কামরুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. আখতারুজ্জামান প্রমুখ।