মতিঝিলে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ব্যক্তি নড়াইলের পৌরকাউন্সিলর


ঢাকার মতিঝিল এজিবি কলোনীর কাঁচাবাজার এলাকায় পুলিশের সাথে ক্রসফায়ারে নিহত ব্যক্তি নড়াইল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও জামায়াত কর্মী মো. ইমরুল কায়েস (৩৪)।  তিনি নড়াইল পৌরসভার ডুমুরতলা গ্রামের হাজী মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্যার পুত্র।  তার ৪ বছরের রাত্রি নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
নিহতের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, কয়েকদিন আগে ইমরুল কায়েস ঢাকায় বেড়াতে যান । গত শুক্রবার এশার নামাযের সময় তিনি তার স্বামীর কাছে ফোন দেন। এ সময় তার স্বামী তাকে জানান যে পরে ফোন দাও, আমি নামাজে যাচ্ছি। এর কিছু সময় পরে ফোন দিলে অপরিচিত লোক ফোন রিসিভ করেন। এর পর তার সাথে আর যোগাযোগ করতে পারিনি। সোমবার  বেলা ১২টার সময়  আমার স্বামীর ফোন নম্বর থেকে  অপরিচিত একজন লোক আমাকে ফোনে বলেন ফোনের মালিক আপনার কি হয়। আমি ঐ সময় তাকে বলি তিনি আমার স্বামী হন। তখন আমাকে জানানো হয় আপনার স্বামী নেই হারিয়ে গেছে। আপনি এসে ঢাকা মেডিকেল থেকে লাশ নিয়ে যান। তিনি আরো জানান, গত ২০১৩ সালের ১১ ডিসেম্বর নড়াইলে পুলিশের উপর অবরোধকারিরা হামলা চালায়। ঐ মামলায় আমার স্বামীকে আসামি করা হয়। তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি আরো দাবি করেন, তার স্বামীর নামে নড়াইল সদর থানায় মাত্র একটি মামলা ছিল। আমার স্বামীকে মিথ্যা অভিযোগে পুলিশ হত্যা করেছে। তিনি এ হত্যার বিচার দাবি করেন।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মতিয়ার রহমান বলেন, আমরা শুনেছি ইমরুল কায়েস পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে মারা গেছ। তার বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলা মামলাসহ নড়াইলে আটটি মামলা রয়েছে।